১/চাচা-ও তার ভাগ্নে?
চাচা ছিলেন হুজুর। কিন্তু তার ভাগ্নেটা একদম নামাজ পড়ে না। চাচা ভাগ্নেকে অনেক বুঝালেন। কিছুতেই কাজ হলোনা। শেষমেষ চাচা ভাগ্নেকে বললেন।
: তুই এখন থেকে নামাজ পড়লে তোকে ৫ টাকা করে দেব।
ভাগ্নেতো কথা শুনে মহা খুশি। সে খুশিমনে নামাজ পড়তে গেল। নামাজ পড়ে এসে চাচাকে বললো,
: চাচা, নামাজ পড়ে এসেছি। এবার টাকা দাও।
: কিসের টাকা? তু্ই নামাজ পড়ছিস নেকী পাইছিস। তোকে আবার টাকা দেব কেন?
: চাচা, আমি জানতাম তুমি এইরকম করবা। আমিও কম যাইনা। আমি নামাজ ঠিক-ই পড়ছি। কিন্তু ওজু করি নাই।:-O =))
২/আমিও তো বাবা হতে চলেছি
কার্তিকদা খুব চিকন ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি খুব মোটা হয়ে যাচ্ছেন।
তাই দেখে একদিন কার্তিকদা’র বউ তাকে বললেন, “তুমি এতো মোটা হয়ে যাচ্ছো কেনগো???”
শুনে কার্তিকদা বললেন, “খালি আমি একা মোটা হচ্ছি? তুমিওতো মোটা হচ্ছো।
“ কার্তিকদার বউ এটা শুনে বললো, “আমিতো মা হতে চলেছি। তাই মোটা হচ্ছি।
“ কার্তিকদা মুচকি হেসে বললো, “আমিও তো বাবা হতে চলেছি, তাই না? :-O
৩/ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন
স্ত্রীঃ ইস!!! আমি যদি পেপার হইতাম তবে সারাদিন তোমার হাতের উপর থাকতে পারতাম।
স্বামীঃ আমারও তাই ইচ্ছা করে যে তুমি যদি পেপার হতে তাহলে আমি প্রতিদিন তোমাকে চেঞ্জ করতে পারতাম।
৪/মাতালের মাতলামী
এক মাতাল একটি কবরের সামনে বসে মদ খাচ্ছিল। হঠাৎ সেখানে এক পুলিশ এসে হাজির।
পুলিশ (ধমক দিয়ে)ঃ এই ব্যাটা এখানে বসে কি করছিস?
মাতালঃ হুজুর আমার বাপের কবরের পাশে বসে একটু কান্নাকাটি করছি।
পুলিশ (রেগে গিয়ে)ঃ এটা তোর বাপের কবর, না? শালা এটাতো একটা বাচ্চার কবর।
মাতালঃ ওই তো হুজুর। আমার বাপতো বাচ্চা অবস্থাতেই মারা গিয়েছিল। :]
৫/ঘাস খেয়ে চলে গেছে স্যার
একদিন এক বিদ্যালয়ে শিক্ষক তার ছাত্র-ছাত্রীদের গরু আঁকতে দিলেন। সবাই গরু এঁকে খাতা জমা দিল। এক ছেলে জমা দিল একটা খালি কাগজ।
শিক্ষক কাগজটা দেখে বলল, "এটা কি এঁকেছিস?"
ছাত্র বলল, "স্যার, ঘাস এঁকেছিলাম।"
শিক্ষক বলল, "ঘাস কই?"
ছাত্র বলল, "স্যার, গরুতে খেয়ে ফেলেছে।"
শিক্ষক বলল, "তাহলে গরু কই?"
ছাত্র বলল, "স্যার, গরুতো ঘাস খেয়ে চলে গেছে। :[
৬/বিএনপি, আওয়ামী লীগ, আমলা ও বালক
উড়ন্ত প্লেনে সহসা পাইলটের ঘোষণা শোনা গেলো, �সম্মানিত যাত্রীগণ, প্লেনে আগুন ধরে গেছে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্লেনটি বিস্ফোরিত হবে। আপনারা দ্রুত প্যারাসুট দিয়ে নেমে পড়ুন।�
এই ঘোষণা দিয়েই পাইলট প্যারাসুট নিয়ে ঝাপ দিলেন।
প্লেনে তখন যাত্রী চার জন � একজন আমলা, দুইজন রাজনীতিক � একজন আওয়ামী লীগের নেতা, অপর জন বিএনপির নেতা এবং একটি স্কুল ছাত্র। কিন্তু, দেখা গেলো প্যারাসুট মাত্র তিনটি।
আমলা একটি প্যারাসুট নিয়ে বললেন, �আপনারা অবশ্যই স্বীকার করবেন যে, প্যারাসুটে আমার অগ্রাধিকার রয়েছে। বাংলাদেশে আপনাদের মত হাজার হাজার নেতা আছে, লক্ষ লক্ষ স্কুল ছাত্র রয়েছে, কিন্তু, আমলার সংখ্যা খুব কম। নেতা গেলে নেতা পাওয়া যাবে, কিন্তু, একজন দক্ষ আমলা সহজে পাবেন না।�
এই কথা বলে আমলা প্যারাসুট নিয়ে ঝাপ দিলেন।
আওয়ামী লীগের নেতা বললেন, �আমরা এদেশের স্বাধীনতা এনেছি, আমরা স্বাধীনতা না আনলে এই প্লেন হতো না, প্যারাসুট হতো না, তাই এই প্যারাসুটের উপর অধিকার সবথেকে বেশী আমার।�
তিনিও ঝাপ দিলেন।
এখন যাত্রী দুইজন, প্যারাসুট মাত্র একটি, যে কোন সময় প্লেনটি বিস্ফোরিত হতে পারে।
তখন বিএনপির নেতাটি একটা প্যারাসুট বালককে এগিয়ে দিলেন। সে তো বিস্ময়ে, কৃতজ্ঞতায় কেদে ফেললো, �আমাদের দেশেও এতো হৃদয়বান ত্যাগী রাজনীতিক আছেন, যিনি তার নিজের জীবনের বিনিময়ে সামান্য একজন স্কুল ছাতের জীবন বাচাচ্ছেন!�
কিন্তু, বালকটি প্যারাসুট নিলো না। বললো, আমি এখন দেশের জন্য কিছুই করতে পারবো না। প্যারাসুটটি বরং আপনি নিন, তাতে জাতি অনেক কিছু পাবে।
বিএনপি নেতা মুচকি হেসে বললেন, �আমার প্যারাসুট আছে, আওয়ামী লীগ নেতা বেশী তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে তোমার স্কুল ব্যাগ নিয়ে ঝাপ দিয়েছেন।
Friday, July 23, 2010
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment