গ্রেফতারের ২৫ দিন পর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সাথে গতকাল শুক্রবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সাক্ষাৎ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। গতকাল দুপুরে তার সাথে সাক্ষাৎ করেন তার স্ত্রী বেগম তামান্না-ই-জাহান, দুই ছেলে, একমাত্র মেয়ে ও মেয়ের জামাতা। এ সময় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
গত ২৯ জুন গ্রেফতারের পর আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সাথে তার পরিবারের এটাই প্রথম সাক্ষাৎ।
Saturday, July 24, 2010
জনকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ: জামায়াত নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে — তাসনীম আলম
দৈনিক জনকণ্ঠে ‘পুলিশ হত্যায় জামায়াত-সর্বহারা যোগসূত্র খুঁজছে পুলিশ’ শিরোনামে গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত রিপোর্টে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা প্রচারণা চালানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপক মোঃ তাসনীম আলম গতকাল বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, দৈনিক জনকণ্ঠের এ রিপোর্টে ‘জামায়াতের যুদ্ধাপরাধীরা দেশে আইন-শৃক্মখলা পরিস্থিতির অবনতি করে নৈরাজ্য ও বিশৃক্মখলা সৃষ্টির জন্য চরমপন্থী সর্বহারা দলের সদস্যদের মাঠে নামিয়েছে।’ মর্মে যে কথা লেখা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা। জামায়াতে ইসলামী নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক ধারার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। কাজেই নৈরাজ্য ও বিশৃক্মখলা সৃষ্টির জন্য সর্বহারাদের মাঠে নামানোর প্রশ্নই আসে না। এই রিপোর্টে গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ‘জামায়াতের সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরয়ারের নেতৃত্বে চরমপন্থী সর্বহারারা সংগঠিত হচ্ছে’ মর্মে যে কথা লেখা হয়েছে তার মধ্যে সত্যের লেশমাত্রও নেই। জনকণ্ঠের গোটা রিপোর্টটিই সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের নিজস্ব কারখানায় তৈরি আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছুই না। জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন মিথ্যা কাল্পনিক রিপোর্ট প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, দৈনিক জনকণ্ঠের এ রিপোর্টে ‘জামায়াতের যুদ্ধাপরাধীরা দেশে আইন-শৃক্মখলা পরিস্থিতির অবনতি করে নৈরাজ্য ও বিশৃক্মখলা সৃষ্টির জন্য চরমপন্থী সর্বহারা দলের সদস্যদের মাঠে নামিয়েছে।’ মর্মে যে কথা লেখা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যা। জামায়াতে ইসলামী নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক ধারার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। কাজেই নৈরাজ্য ও বিশৃক্মখলা সৃষ্টির জন্য সর্বহারাদের মাঠে নামানোর প্রশ্নই আসে না। এই রিপোর্টে গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে ‘জামায়াতের সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরয়ারের নেতৃত্বে চরমপন্থী সর্বহারারা সংগঠিত হচ্ছে’ মর্মে যে কথা লেখা হয়েছে তার মধ্যে সত্যের লেশমাত্রও নেই। জনকণ্ঠের গোটা রিপোর্টটিই সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের নিজস্ব কারখানায় তৈরি আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছুই না। জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন মিথ্যা কাল্পনিক রিপোর্ট প্রচার করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
সিলেটে জেলা আমীর সম্মেলন: সরকারের দুঃশাসন ও নির্যাতন থেকে দেশের জনগণ মুক্তি চায় -জামায়াত
জামায়াতে ইসলামী সিলেট বিভাগের জেলা আমীর সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ১৯ মাসে দেশ শাসনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনের পূর্বে তারা অঙ্গীকার করেছিল-জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি সমস্যার সমাধান, আইন-শৃক্মখলার উন্নতি, প্রশাসনকে দলীয়করণ মুক্ত, দ্রব্যমূল্য কমিয়ে আনতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়া, দশ টাকা মূল্যে চাল, বিনামূল্যে সার ও ঘরে ঘরে চাকুরী দিবে। বিগত দিনের দেশ শাসনে উল্লেখিত অঙ্গীকারপূরণে তারা শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে। বক্তারা বলেন, বিরোধী দল যখন জনগণের মৌলিক এ দাবী পূরণের জন্য আন্দোলনে নেমেছে। সরকার তাদের ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য বিরোধী দলের উপর দমন-পীড়ন ও গ্রেফতার নির্যাতন শুরু করেছে। জামায়াত দেশের স্বার্থে টিপাইমুখ বাঁধ ও ভারতকে সমুদ্র বন্দর দেয়ার প্রতিবাদ করেছে। ইসলামী শিক্ষা ও ইসলামী তাহজিব-তামাদ্দুন রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা রেখেছে। একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও ‘৭২ এর সংবিধানে ফিরার নামে ইসলামকে উৎখাত করার চক্রান্ত প্রতিরোধে আন্দোলন করছে। তাই আজ জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হচ্ছে। জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশে একজন নাগরিকের স্বাভাবিক মৃত্যুর কোন নিশ্চয়তা নেই। খুন, অপহরণ, গুম, হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগের ন্যায় এরূপ মানবতা বিরোধী সকল অপকর্ম সরকার দলীয় নেতা-কর্মীদের দ্বারা সংঘটিত হচ্ছে। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, হ্যাইজাক, ডাকাতি মাত্রাতিরিক্তভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আইন-শৃক্মখলা বাহিনীর এদিকে কোন নজর নেই। তাদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে বাধা দানে। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের দমন-পীড়ন ও গ্রেফতার নির্যাতনে। সরকারের দুঃশাসন ও নির্যাতন থেকে দেশের জনগণ মুক্তি চায়। নেতৃবৃন্দ জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের অবিলম্বে মুক্তি দাবী করেন। তারা দলের সকল নেতা-কর্মীকে ধৈর্যের ও সাহসিকতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহবান জানান। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট বিভাগের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বশীল অধ্যাপক ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি মাওলানা ফরিদ উদ্দীন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মহানগরী নায়েবে আমীর ডা. সায়েফ আহমদ, সিলেট জেলা উত্তরের আমীর হাফিজ আনোয়ার হোসাইন খান, সুনামগঞ্জ জেলা আমীর হাতিমুর রহমান, হবিগঞ্জ জেলা আমীর মাওলানা মখলিছুর রহমান, অঞ্চল টিম সদস্য আজিজুর রশিদ চৌধুরী, সিলেট দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান প্রমুখ।
সরকার সীমাহীন ব্যর্থতা ঢাকতেই বিরোধী দলের উপর দমন পীড়ন চালাচ্ছে -হামিদুর রহমান আযাদ
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেছেন, সরকার ‘৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাবার নামে সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ, আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস, রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম তথা ইসলামী রাজনীতিকে উঠিয়ে দিতে চায়। কিন্তু ৯০ শতাংশ মুসলমানের এ দেশে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করা যাবে না। সরকার নিজেদের সীমাহীন ব্যর্থতা ঢাকতেই বিরোধী দলের উপর দমন পীড়ন চালাচ্ছে। সরকারের অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনকে কোন ষড়যন্ত্র করে দমানো যাবে না।
গতকাল শুক্রবার জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মিরপুর-মোহাম্মদপুর-লালবাগ অঞ্চলের যৌথ উদ্যোগে থানা দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনায় সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, এ এস এম রইস উদ্দীন, রফিকুন্নবী ও মোবারক হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট থানার আমীর ও সেক্রেটারিবৃন্দ।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, সরকার আইনের তোয়াক্কা না করে অন্যায়ভাবে জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে, গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে মানবাধিকার লংঘন করে চলছে। আওয়ামী লীগ জন্ম থেকেই একটি ফ্যাসিবাদী দল। সরকার জামায়াতের শীর্ষ নেতাসহ বিরোধী দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় আটক রেখেছে। তিনি অবিলম্বে মাওলানা নিজামীসহ সকল বন্দির নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
তিনি আরো বলেন, সরকার সংবিধান সংশোধনের জন্য যে কমিটি করেছে তা সর্বদলীয় কমিটি বলা হলেও আসলে এটা দলীয় কমিটি। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টির এক অংশকে কমিটিতে রাখা হয়নি। দলীয় সিদ্ধান্ত জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার মাধ্যমে চিরদিন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখছে আওয়ামী লীগ। এ দেশের দেশপ্রেমিক জনগণ সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে দেবে না। তিনি সরকারের দেশ বিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।
গতকাল শুক্রবার জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী মিরপুর-মোহাম্মদপুর-লালবাগ অঞ্চলের যৌথ উদ্যোগে থানা দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনায় সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, এ এস এম রইস উদ্দীন, রফিকুন্নবী ও মোবারক হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট থানার আমীর ও সেক্রেটারিবৃন্দ।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, সরকার আইনের তোয়াক্কা না করে অন্যায়ভাবে জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে, গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে মানবাধিকার লংঘন করে চলছে। আওয়ামী লীগ জন্ম থেকেই একটি ফ্যাসিবাদী দল। সরকার জামায়াতের শীর্ষ নেতাসহ বিরোধী দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে মিথ্যা মামলায় আটক রেখেছে। তিনি অবিলম্বে মাওলানা নিজামীসহ সকল বন্দির নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
তিনি আরো বলেন, সরকার সংবিধান সংশোধনের জন্য যে কমিটি করেছে তা সর্বদলীয় কমিটি বলা হলেও আসলে এটা দলীয় কমিটি। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টির এক অংশকে কমিটিতে রাখা হয়নি। দলীয় সিদ্ধান্ত জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার মাধ্যমে চিরদিন ক্ষমতায় থাকার স্বপ্ন দেখছে আওয়ামী লীগ। এ দেশের দেশপ্রেমিক জনগণ সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে দেবে না। তিনি সরকারের দেশ বিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।
ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে অধ্যাপক মুজিব: জামায়াত নেতাদের ওপর জুলুম বন্ধ করে নির্বাচনী ওয়াদামত মানুষকে চাকরি দিন
ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর জেলা ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দের সাথে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটরি জেনারেল এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান মতবিনিময় সভায় বলেন, সরকারকে জামায়াত নেতাদের ওপর জুলুম নির্যাতন বন্ধ করে নির্বাচনী ওয়াদামত শ্রমজীবি মানুষকে চাকরি দেয়ার ওয়াদা পালন করতে হবে। দেশ আজ গভীর সংকটে নিমজ্জিত সর্বত্র হাহাকার, ভয়-ভীতি, গ্রেফতার আতংক, গুপ্ত হত্যা, মামলা-হামলা, পুলিশী হেফাজতে আসামীর মৃত্যু, সরকারি দলের লোকদের টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি, জমি দখল ইত্যাদি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশ বাহিনীকে সরকার দলীয় বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছে। মিল-কারখানা বন্ধ করে দেয়ায় শ্রমজীবী মানুষ চাকরি হারাচ্ছে এবং বেকারত্বের সারি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। বিদ্যুৎ-গ্যাস পানি সমস্যায় মানুষ দিশেহারা। সরকার এসব সমস্যা সমাধানে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে সাধারণ মানুষের দৃষ্টিকে আড়াল করতে মিথ্যা অজুহাতে জামায়াতে ইসলামীর মত একটি আদর্শবাদী দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেফতার ও রিমান্ডে দিয়েছে। তিনি সরকারকে জুলুম নির্যাতনের পথ পরিহার করে জামায়াত-শিবির ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আটককৃত নেতা-কর্মীদের অনতিবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দানের দাবি জানান।
রাজধানীর মগবাজারস্থ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল জুমাবার অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা ঢাকা বিভাগ দক্ষিণের সভাপতি মুহাম্মদ উল্লাহর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এডভোকেট এস এম আবদুল হাই প্রমুখ
রাজধানীর মগবাজারস্থ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল জুমাবার অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা ঢাকা বিভাগ দক্ষিণের সভাপতি মুহাম্মদ উল্লাহর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এডভোকেট এস এম আবদুল হাই প্রমুখ
Subscribe to:
Posts (Atom)